শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দামুড়হুদায় গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্র বিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গায় ট্রাকচাপায় ঘুমান্ত হেলপার নিহত গাংনীতে নুপুর নামের গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিমান রয়েছে যে শহরে প্রত্যেকেরই যাতায়াত সব আকাশপথে ফাতেমা হত্যা মামলা তদন্ত পিবিআই’তে হস্তান্তরের দাবী ৩ দিনের মধ্যে বাড়ী ছাড়ার নির্দেশ তালেবানের, প্রতিবাদে রাস্তায় শত শত মানুষ আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হচ্ছে না, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আদালতকে জানাবো: তথ্যমন্ত্রী দামুড়হুদায় ৩০ পাউন্ড কেক কেটে টগর এমপি’র জন্মবার্ষিকী পালন চুয়াডাঙ্গায় খেলতে গিয়ে ২ বন্ধুর ঝগড়ায় অন্যের নাকগলানী, অতঃপর………….

চুয়াডাঙ্গার মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের চুয়াডাঙ্গা জেলায় এক বছর পূর্তিতে অভিনন্দন

ষ্টাফ রিপোর্টার:

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলায় যোগদানের একবছর পূর্ণ হলো। এ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন মহল থেকে তাকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। অভিনন্দন জানিয়েছেন দৈনিক আমাদের চুয়াডাঙ্গা ডটকম অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর প্রধান সম্পাদক, সম্পাদক ও প্রকাশক, নির্বাহী সম্পাদক, আইন বিষয়ক সম্পাদকসহ অনলাইন নিউজ পোর্টালের পরিবারের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বরে চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে শতভাগ লকডাউন কার্যকর করেন। করোনার প্রার্দুভবের জন্য খেঁটে খাওয়া কর্মজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। বিষয়টি পুলিশ সুপার মহোদয় অনুধাবন করে নিজ উদ্যোগে লকডাউন বিদ্যমান থাকাকালীন সময়ে ৮ হাজার ২শ’ ৫ জন কর্মহীন গরীবদের বাড়ীতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের যোগ্য নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ অত্যন্ত পেশাদারীত্বের সাথে শতভাগ আন্তরিকতার সহিত লকডাউন কর্মসূচী পরিচালনা, বিদেশ ও অন্যান্য জেলা শহর থেকে আগত ২ হাজার ৮শ’ ৩৮ জন হোমকোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, জনগণকে সচেতন করতে স্বাস্থ্যবিধি সম্বলিত ১৮ হাজার হ্যান্ডবিল বিতরণ, ১৩ বার মাইকিং, করোনা সংক্রমন হওয়ার পদ্ধতি ও প্রতিরোধে বিষয়ে ফেস্টুন, ব্যানার প্রদর্শণ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা হ্যান্ডবিল আকারে প্রচার, অসচেতন কর্মজীবি জনসাধারণের মধ্যে ফ্রি ৪০ হাজার মাস্ক বিতরণ, পুলিশ সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি ও শরীরে এন্ট্রিবডি তৈরী করতে পুষ্টিকর খাদ্য ও ঔষধ প্রদান, সরকার ঘোষিত রেড জোন এলাকার প্রবেশ ও বাহির পথে লকডাউন এবং উক্ত এলাকার ম্যাপ ও ব্যানার প্রদর্শণ, করোনা উপর্সগ নিয়ে মৃত্যুবরণকারী ০৩জন দাফনে সরাসরী সহায়তা ও আইন-শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ পরিস্থিতি বিবেচনায় বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। যার প্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গা জেলায় মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও করোনা মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত সকল নির্দেশনা শতভাগ পালনসহ করোনা আক্রান্তদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মৃতদের দাফনকার্য সম্পন্ন করতে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।
জনবান্ধব ও গণমুখী ও মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্য পুলিশিং ব্যবস্থার প্রচলন করার জন্য গত ০৭.০২.২০২০ খ্রিঃ তারিখে জেএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত প্রায় ৭০০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের সম্বর্ধনা, গাছের চারা বিতরণ, শিক্ষা সামগ্রী উপহার, ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান এবং তাদের মানসপটে পুলিশ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা ডিলেট করতঃ পুলিশিং কাজের বাস্তবতা ও দেশ প্রেমের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ করা হয়। জনবান্ধব, গণমুখী ও মানুষের নিকট গ্রহনযোগ্য পুলিশিং ব্যবস্থা কার্যকর করার লক্ষ্যে ৩৮ বিসিএস সুপারিশপ্রাপ্ত ২৮ জন কৃতী শিক্ষার্থীদের বাড়ীতে “শুভেচ্ছা উপহার” হিসেবে মিষ্টি ও ফুল প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা গ্রহণরত রোগীদের সুপীয় পানির সংকট থাকায় ৭শ’ ৪৪ বোতল বিশুদ্ধ পানি প্রদান করা হয়েছে। পঙ্গুত্ববরণকারী একজন পুরুষ ও একজন নারীকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।
উদ্ধার সংক্রান্তঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত মাদক নির্মূলে চলমান অভিযান পরিচালনায় মাদক উদ্ধার সংক্রান্তে ৭শ’ ১২ টি মামলা রুজু করাসহ ৯শ’ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখিত মামলার ঘটনায় ১। হোরোইন-৪৮ গ্রাম, ০৬ পুরিয়া, ২। গাঁজা-১৬১ কেজি এবং ৩৩টি গাঁজার গাছ, ৩। প্যাথেডিন ইনঃ-১৫ শ’ ৭৯ অ্যাম্পুল, ৪। বাংলা মদঃ ৮০৪ লিটার এবং চোলাই মদঃ ৪২৯.৫ লিটার ও ১২ বোতল, দেশীয় মদঃ ১১৪ লিটার ১৮ বোতল, বিদেশী মদঃ ৩৮ লিটার, ৫। ফেন্সিডিল ঃ ১৮০৬৭ বোতল এবং তরল ৩ লিটার, ৬। ইয়াবা ট্যাবঃ ৪৬৮৮ পিচ, ৭। তাঁড়ি ঃ ৮০ লিটার ৮। বেঙ্গল টাইগার মদঃ ২৩ লিটার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চোরাচালানীর মালামাল উদ্ধারের ক্ষেত্রে ২টি মামলায় ভারতীয় ক্যাপসুল ৩৪২০ পিচ, ভারতীয় থ্রিপিচ-২৩ টি, শাল-১১ টি, শাড়ী-১৩২ পিচ, লেহেঙ্গা-৮ পিচ, বেডসীট-৪ পিচ, স্বর্ণ ২৩ ভরি উদ্ধার করা হয়। উল্লেখিত ঘটনায় ১টি মামলা রুজু করা হয় এবং ২জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।
অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের ক্ষেত্রে পিস্তল-০১টি, ওয়ান শুটারগান-১টি, গুলি-৫রাউন্ড, ছোড়া-০২টি, বোমা সাদৃশ্য বস্তুু-০২টি, গান পাউডার-৫০০ গ্রাম, হাসুয়া-১টি, রামদা-০২টি, তলোয়ার-১টি, লোহার দা-১টি, তারকাটার কাচি-২টি, ককটেল-০২টি, স্টিলের চাপাতি-১টি, কাঠের হাতযুক্ত ধারালো ছোড়া-৩টি সহ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উক্ত ঘটনায় ৬টি মামলা রুজু হয় এবং ৯ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।
ওয়ারেন্ট তামিলঃ ওয়ারেন্ট তামিলের ক্ষেত্রে জিআর ও সিআর ২৭৪১ টি এবং সাজাপ্রাপ্ত ২১৯টি পরোয়ানা তামিল করা হয়। নিয়মিত মামলায় ১৬৫১ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও ১৩৩৪টি মামলা তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে। মোটরযান আইনে মোট ৪১৪১টি মামলা দায়ের করা হয়ছে এবং ১৪,৬২,৭৫৫ টাকা জরিমান আদায় করা হয়।
চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটনঃ
১। জীবননগর থানার মামলা নং-১৫, তারিখঃ ২৭.০৬.২০২০খ্রিঃ, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড মামলাটিতে নগদ ১,৫৩,৬০০/-স্বর্ণ ও রৌপ্যের অলংকার ১,০১০০০/- মোবাইল সেট-০৫টি দাম ২৯,২০০/-সহ সর্বমোট ২,৮৩,৮০০/- টাকার মালামাল লুণ্ঠিত হয়। আমার সরাসরী নির্দেশনা ও সুপারভিশনের ফলে ঘটনার সাথে প্রকৃত জড়িত আসামী ১। খবির সরদার, থানা-কালকিনি, জেলা-মাদারীপুর, ২। জনি শেখ’কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ৩,০০০/- উদ্ধার করা হয় এবং তারা দুজনই তাদের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
২। আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-১৩, তারিখঃ ২৩.০২.২০২০খ্রিঃ, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড মামলাটিতে নগদ ৩,০৫,৫০০/- টাকা লুণ্ঠিত হয়। আমার সরাসরি নির্দেশনা ও সুপারভিশনের ফলে ঘটনার সাথে প্রকৃত জড়িত আসামি ১। রতন’কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি তার দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
৩। আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-৪, তারিখঃ ০৩.০৩.২০২০খ্রিঃ, ধারা-৩৯২ পেনাল কোড মামলাটিতে নগদ ২০২,০০০/- টাকা লুণ্ঠিত হয়। আমার সরাসরি নির্দেশনা ও সুপারভিশনের ফলে ঘটনার সাথে প্রকৃত জড়িত আসামি ১। রতন’কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি তার দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
৪। দামুড়হুদা থানার মামলা নং-০৪, তারিখঃ ০২.০২.২০২০খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৯ (২), (ধর্ষণ করে হত্যা)। আমার সরাসরি নির্দেশনা ও সুপারভিশনের ফলে ঘটনার পরপরই ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত আসামি ১। মমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। সে তার নিজের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
বিট পুলিশীং কার্যক্রমঃ পুলিশী সেবাকে সহজীকরণ ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাননীয় আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার) এর নির্দেশ মোতাবেক চুয়াডাঙ্গা জেলাকে ৫৩ বিটে বিভক্ত করে বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ফলে জনগণ খুব সহজেই পুলিশী সেবা পাচ্ছেন।
প্রশাসনিক অবকাঠামো উন্নয়নঃ
(১) প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ১৫ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত আলমডাঙ্গা থানা ভেঙ্গে “বড়গাংনী থানা” গঠনের প্রস্তাব প্রেরন করা হয়েছে।
(২) চুয়াডাঙ্গা থানা থেকে ১২ কিঃ মিঃ দূরে বৃহৎ সরোজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত সরোজগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পটি “সরোজগঞ্জ তদন্তকেন্দ্র” হিসেবে গঠনের প্রস্তাব প্রেরন করা হয়েছে।
(৩) জীবননগর থানা থেকে ২০ কিঃ মিঃ দূরে অপরাধ প্রবণ আন্দুলবাড়ীয়া বাজারে “আন্দুলবাড়ীয়া তদন্তকেন্দ্র” করার প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, তদন্তকেন্দ্রের জন্য স্থানীয় জনগনের নিকট থেকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নামে ১ একর জমি রেজিঃ করে নেওয়া হয়েছে।
(৪) আলমডাঙ্গা থানা থেকে ১৫ কিঃ মিঃ দূরে অপরাধ প্রবণ জামজামি বাজারে স্থাপিত স্থায়ী ক্যাম্পটি “জামজামি তদন্তকেন্দ্র” করার প্রস্তাব প্রেরন করা হয়েছে।
(৫) আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আলমডাঙ্গা থানাধীন আসমানখালী বাজারে “আসমানখালী তদন্তকেন্দ্র” করার প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, তদন্তকেন্দ্রের জন্য স্থানীয় জনগনের নিকট থেকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নামে ০১ একর জমি রেজিঃ করে নেওয়া হয়েছে।
(৬) নবগঠিত দর্শনা থানার জমিতে দর্শনা ফাঁড়ী এবং দর্শনা থানা অন্যত্র স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহনের প্রস্তাব প্রেরন করা হয়েছে।
(৭) দামুড়হুদা সদর সার্কেল অফিস স্থানান্তরের জন্য ১৬ শতাংশ জমি অধিগ্রহনের প্রস্তাব প্রেরন করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা থানা অভ্যন্তরে অফিসার্স ক্লাব স্থাপিত হওয়ায় জায়গার স্বল্পতার কারণে চুয়াডাঙ্গা থানা স্থানান্তরের জন্য শহরের অভ্যন্তরে জায়গা নির্ধারণ করতে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
(৮) দর্শনা পুরাতন থানা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ (কোর্টে মামলা চলছে শেষ পর্যায়ে আছে)।
বড় গাংনী তদন্ত কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ (কোর্টে মামলা চলছে শেষ পর্যায়ে আছে)।
প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে চুয়াডাঙ্গ সদর থেকে ১২ কি. মি. দূরে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কে অবস্থিত ভালাইপুর বাজার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ও আশপাশ এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে স্থানীয় জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে ভালাইপুর বাজারে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য .০৯৬৭ একর জমি স্থানীয় জনগনের নিকট থেকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়া হয়েছে।
(৯)চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানাধীন নাটুদহ পুলিশ ক্যাম্পের জায়গা কম থাকায় স্থানীয় জনগনকে ম্যানেজ করে তাদের সহযোগীতায় আরো .৩১৭৫ একর জমি স্থানীয় জনগনের নিকট থেকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়া হয়েছে।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের প্রস্তাব প্রেরণঃ
(১) পুলিশ লাইন্স অভ্যন্তরের ৪টি রাস্তা নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(২) হাটবোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সীমান প্রাচীর নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৩) আসমান খালী পুলিশ ক্যাম্পের সীমান প্রাচীর নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৪) চুয়াডাঙ্গা সদর থানা অভ্যন্তরের টয়লেট, সীমানা প্রাচীর ভিতরের রাস্তা, ড্রেন মেরামত ও নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৫) পুলিশ লাইন্সের সেলুন ও গ্যারেজ নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৬) হিজলগাড়ীর পুলিশ ক্যাম্পের বাকী অংশের সীমান প্রাচীর নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৭) ভগিরতপুর পুলিশ ক্যাম্পের বাকী অংশের সীমান প্রাচীর নির্মাণ ও মাটি ভরাট কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৮) হাটবোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের বাকী অংশের সীমান প্রাচীর নির্মাণ ও মাটি ভরাট কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(৯) পাইকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের সীমান প্রাচীরের নিচের ফাঁকা অংশ নির্মাণ ও মাটি ভরাট কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।
(১০)দর্শনা নবগঠিত থানা অভ্যন্তরের রাস্তা ও গ্যারেজ নির্মাণ কাজের প্রস্তাব প্রেরণ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT