বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে ঝিনাইদহের ৬টি পৌর এলাকায় বিশেষ বিধি নিষেধ জারী সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মেহেরপুরে মানববন্ধন আজ প্রিয় ঋতু বর্ষার প্রথম দিন চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য সচেতনতার বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে কোলড্রিংস ভেবে বিষপানে শিশুর মৃত্যু মেহেরপুরের ৩টি গ্রাম লকডাউন ঘোষণা, রাজশাহীগামী বিআরটিসি বাস বন্ধ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১৪দিনের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৫০ জনের করোনা শনাক্ত চুয়াডাঙ্গায় ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে বিপাকে প্রতিবন্ধী পিতা, চান আর্থিক সহায়তা

চুয়াডাঙ্গা সদরে অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম এর প্রতি আসক্ত অনেক শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার :

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দিন দিন অমনোযোগী হয়ে পড়ছে লেখাপড়া থেকে। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে দিন রাত ব্যস্ত সময় পার করছে ইন্টারনেট ফাইটিং গেম ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নামক গেইমে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এ যেন এক নেশায় আসক্তর মত জড়িয়ে গেছে।

জে. এস. সি, এস.এস.সি, এইচ.এস.সি পরীক্ষা সাময়িক ভাবে বন্ধ আছে। তাই শিক্ষার্থীরা অমনোযোগী হয়ে পড়েছে লেখাপড়ার দিকে। তার ভিতরে আবার এই অনলাইন গেমস ফ্রী ফায়ার ও পাবজি যেটাতে আসক্ত সব বয়সের শিক্ষার্থীরা।

চুয়াডাঙ্গা ভিমরুল্লাহ গ্রামের মনিরুল ইসলাম জানান আমাদের সময় আমরা অবসর সময়টি বিভিন্ন খেলাধুলার মধ্য দিয়ে পার করতাম, কিন্তু এখনকার যুগে তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন খেলাধুলা বাদ দিয়ে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রুপ গেমিং খেলা শুরু করেছে। যা বর্তমানে সব জায়গাতেই মহামারী আকার ধারণ করেছে।

শিক্ষার্থীরা অনেকে পড়ার টেবিল ছেড়ে খেলছে মোবাইল গেমস, কখনো ইন্টারনেটের খারাপ সাইটে বিভিন্ন ছবি দেখছে। ফলে তারা নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। এতে একদিকে তাদের ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। তাই কিশোর-কিশোরীরা যেন তারা মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার না করে এবং তাদেরকে একটু যত্ন সহকারে খেয়াল রাখার দায়িত্ব বা কর্তব্য অভিভাবকেরই বলে মনে করেন অনেকে।

ফ্রি ফায়ার নামক গেমকে মাদকদ্রব্যর নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় কয়েকজন প্রবীন সমাজ সেবকেরা। নাম বলতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ইয়ং জেনারেশন এখন ফ্রি ফায়ারের দিকে আসক্ত। যেটা কিনা একটা অনলাইন গেম সেখানে গ্রুপিং এর মাধ্যমে জুয়ার আসর তৈরি হচ্ছে। ফ্রী ফায়ার গেম ব্যবহার কারি মাফিজ, আমিনুল, জাহিদ, মাসিরুল, সাইদের সাথে কথা বলে জানা যায়,

করোনা ভাইরাসের কারণে সারা বিশ্ব যেখানে থমথমে আছে সেখানে আমাদের মোতন ছাত্ররা কি করবে, সারা দিন তো আর ঘরে বসে দিন কাটাতে পারি না।

স্কুল বন্ধ, কোচিং বন্ধ, একা একা বাসাতে থাকতে থাকতে সময় যেনো আর যাই না তাই এই অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ারে সবার সাথে যোগাযোগ করতে যেমন পারছি সেই সাথে বিনোদন ও নিতে পারছি। তারা আরও বলে এই গেম থেকে যখন বিনোদন নেওয়ার জন্য খেলতাম তখন কোনো খরচ ছিলো না।

আসতে আসতে যখন আমার এটার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি তখন প্রতিটা ইভেন্টে ৪০০, ৫০০ টাকা খরচ না করলে যেনো হয়ই না। গেমটি তে প্রথমে কোনো খরচ লাগে না যখন গেমটিতে পুরো পুরি ভাবে মনোযোগ দিয় তখন দেখি গেমের ভিতরে এমন কিছু জিনিজ আছে যে গুলো না কিনলে নয়। যেমন, অলকের দাম ৪০০ টাকা, একটা প্লিয়ারে জারছি ৩০০ টাকা নতুন ইভেন্ট আসলেই ২০০০ এর নিচে যাইনা। সম্পূর্ণ ড্রেস কিনতে লাগে ১২০০ টাকা আর রেগুলার ইভেন্টের কথা তো বাদই থাকে।

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখছি অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম এর প্রতি আসক্ত অনেক শিক্ষার্থী। যেটা অনেক খারাপ প্রভাব পড়েছে লেখাপড়ার দিক দিয়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT