মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ-প্রতিরোধ জেলা কমিটির সভা

দৈনিক আমাদের চুয়াডাঙ্গা ডটকম দৈনিক আমাদের চুয়াডাঙ্গা ডটকম

বাঁচতে হলে সকলকে সচেতন হতে হবে -এমপি ছেলুন

ষ্টাফ রিপোর্টার :

চুয়াডাঙ্গায় কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত জেলা পর্যায়ের কমিটির করণীয় সম্পর্কিত সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। (২১ জুলাই) মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি উপস্থিত ছিলেন।
কাভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা: এএসএম মারুফ হাসান ও পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামিম কবির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা মার্কেটিং অফিসার শহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সদস্য ও রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাহান, চুয়াডাঙ্গা জেলা দোকান মালিক সমিতির সহসভাপতি আব্দুল কাদের জগলু, সাধান সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার, নিউ মার্কেট দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, চুয়াডাঙ্গা জেলা মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির নেতা ওহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা প্রিন্স প্লাজা দোকান মালিক সমিতির নেতা আহসান খান, বাদশা প্রমুখ।
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তিনটি ওয়ার্ড রেড জোন হিসাবে চিহ্নিত করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের গুলশান পাড়া, গোরস্থানপাড়া, ফেরিঘাট রোড, বড়বাজারপাড়া, এতিমখানাপাড়া, থানা কাউন্সিলপাড়া, হাসপাতালপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকায় হঠাৎ করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার থেকে পৌর এলাকার ৪, ৭ ও ৯নং ওয়ার্ডগুলো রেড জোন হিসাবে চিহিৃত করে লকডাউন কার্যক্রম চলছে। দুপুরে জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।
পরে সিভিল সার্জন এএসএম মারুফ হাসান বলেন, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৩টি ওয়ার্ডে হঠাৎ করে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় রেড জোন হিসাবে চিহ্নিত করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। দুপুর ২টা থেকে লকডাউন কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। লকডাউন এলাকায় সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওষুধ ও নিত্যাপ্রয়োজনীয় দোকান ব্যাতিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এক উপজেলার গাড়ি অন্য উপজেলায় যাতায়াত করতে পারবে না। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচল করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিকুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার থেকে ৪, ৭ ও ৯নং ওয়ার্ডে লকডাউন শুরু হয়েছে। লকডাউন না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কাভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সভায় কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার সভায় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন । সিদ্ধান্তগুলো হলো, করোনা শনাক্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন ও বাড়ীর সকলকে হোম কোয়ান্টিনে থাকতে হবে। কারো বাড়ীতে থাকার জায়গা না হলে হাসপাতালে যাবেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের টেষ্ট করাতে হবে। আক্রান্ত এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান বাদে অন্য সকল দোকান সকাল ৬ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নো মাস্ক, নো শপিং ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি বলেন, সকলকে করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে সচেতন হতে হবে। আসেপাশের মানুষকে সচেতন করতে হবে। শহরে প্রতিনিয়তই সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। প্রত্যেককে কাজ করতে হবে। আসলে মুখে অনেকেই কথা বলে, কিন্তু কাজ করেনা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT